Subscribe in a reader GAN KOBITA NATOK

Sunday, 21 July 2013

Bhalobasa ভালোবাসা

ভালোবাসা

তোমার সাথে ঘর বেঁধেছি
বেদের বাসা
তার কোনেতে লুকিয়ে আছে অনেক আশা
ধুলোবালি, পোকামাকড়
ফাটা বালিশ, লেপের আদর
এসব কেবল তোমার আমার ভালোবাসা
নাই- বা হোলো এ ঘর মোদের
ভা্লো বাসা
কোনে কোনে লুকিয়ে আছে
অনেক আশা

Friday, 25 January 2013

SONGKIRTON সংকীর্তন


সংকীর্তন

ওই পূবপারের মাঠে হরিসংকীর্তনে
‘একদিন যেও কিন্তু!’
বলেছিল আঁচলে মুখ ঢেকে ।
গিয়েছিলাম।
 দেখলাম আমার মতো কয়েকজন
কেউ নাচে , কেউ হাসে , গান গায় ------
কেউ উদ্বাহু  হয়ে নৃত্য করে , বুক ভেসে যায়,
তবে তারা কেউ কেউ আমার মতো না- ও বটে
                         সকলের কি আর অতলের সাক্ষাৎ ঘটে?  

Sunday, 13 January 2013

KALU -KOTHA KOLI কালু – কথাকলি



কালু – কথাকলি


হ্যালো, আমি মিস্টার কালু। ভুতু , ছাগলু ,ন্যাওটা সবাই আমার দলে। কিন্তু লাহিড়ী মাসী বিস্কুট দিলে আমি একাই সবটা মেরে দি – ন্যাওটার দল ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে।আসলে লাহিড়ি - গিন্নি আমায় দুচোখে দেখতে পারেনা – বিস্কুট গুলো মোটেও আমায় দেয় না, ন্যাওটার জন্যে আনে আর আমি খেয়ে ফেল্লে  দাঁত কিড়মিড় করে। ছাগলু আবার বিস্কুট টিস্কুট বেশি পছন্দ করে না –দুবেলা ভাত মাছ খায়। ন্যাওটা লাহিড়ীগিন্নির খুব আদরের কিনা ... সে পারলে মাসির বাড়িতেই থাকে। ন্যাওটার ছেলের নাম ন্যাদোশ... সেও মাসিমার খুব পছন্দের। আমাকে উনি দুচোক্ষে দেখতে পারেন না তো ... তাই আমায় বিস্কুটও দেন না।
আমি তো কেড়ে খাই। কেড়ে খাওয়াই তো জগতের নিয়ম। ন্যাওটা আবার একটু পোষা টাইপের তো তাই কেড়ে খেতে শেখেনি। যাকগে আমি একটু একটু করে ওকে সব শিখিয়ে দেব। কেমন?
 ভুতুর আবার বেরালদের সঙ্গে ভীষণ ঝগড়া। আধলা বলে বেড়ালটাকে বৃষ্টির সময় এমন তাড়া করল যে দুজনেই কাদার  মধ্যে ধপাস!
যাইহোক এই হল আমাদের ফুটবল টিম। ওদের নিয়ে একদিন তোমার বাড়ি যাব। বাড়িতে থেকো কিন্তু সেদিন কেমন?


Tuesday, 8 January 2013

NA-FEROT না – ফেরত

না – ফেরত

যদিও কনকচূড় কোনো নামী স্যাকরার তৈরি নয়
তবুও রিনি ঠিনি অলস দুপুরে ঘুমের ভাঁজে
জেগে উঠি পড়ন্ত বেলার সুগন্ধে
তোমার আলুলায়িত কবরী যায় খুলে
সেদিনও কি ছিলে অপেক্ষায়
কখন অফিস – ফেরত বাসে ভাড়া গুনছিলাম
তোমার কনকচূড় ঠেকছিল বারবার
ঘিয়ে ভাজা লুচির কড়াই – কানায়
সারমেয় হলে আমি
সেই গন্ধ করতাম অনুভব
বিশবাঁও জলের তলা থেকে।
হায়রে ভীরু অবোধ প্রেম
তোমার পাখায় চড়ে পৌঁছে যেতাম
শান্তনীড়ের কোমল প্রাঙ্গণে।
বলতো কনকচূড়
তুমিকি এখনো সেই হাতে সেজে আছো ?
যে হাত আজো কড়াইতে লুচি ভাজে
কিন্তু আমি আজ সারমেয় হয়ে
সেই গন্ধ পাবোনা করতে আঘ্রাণ
এমনি অফিস ফেরত ভিড়ে
তলিয়ে গিয়েছিলাম
আর ফিরে আসিনিকো এই
শান্তনীড়ের আদর গায়ে জড়িয়ে নেবার তরে।

Monday, 7 January 2013

DIAMOND RING ডায়মন্ড রিং


half.pngডায়মন্ড রিং

সে  এক অপার্থিব আলো ।
সে আলো কোনোদিন
গোধূলি বেলায় কিম্বা ভোরে
ফুটবেনা অন্ধকার চিরে -----
কখনো ওঠেনি আজো
সেই অতীন্দ্রিয় আলোর ভোর ।
সে আলো  দেখবো বলে
আলের অপর দুজনে দাঁড়িয়ে থেকেছি রাতভর
বুকের মধ্যে বাজছিল ঢেঁকির পাড়
ঐ যে! ঐ !  ঐ যে এলো!
আঁধার চিরে অপূব‾ সেই আলো!
আমার ভুবন- ভরা অন্ধকারে
ভুবন – ছাড়া ----- ভুবন- মোহন
ওহে আমার ভুবনেশ্বর ------- তোমার আলোয়
আবার এসো ফিরে ----- কোনো শতাব্দির ওপার থেকে
আমি যে থাকব তখনো
তোমার পানে মুখ তুলে আবার ভাসব বলে ----- হাসব বলে
তোমার ভুবন ভোলান আলোর ঝরনা বুকে নিয়ে !


Saturday, 17 November 2012

SUICIDE সুইসাইড


সুইসাইড

এমন পৃথিবীর সঙ্গে কেউ আড়ি করে?
এত ফুল, গান, হাতের ছোঁয়া?
ওই কুন্দ-শুভ্র দন্তপংক্তি, ওই রক্তিম অধরিমা?
সব ঠেলে ফেলে দিয়ে নিষ্প্রাণ শুয়ে আছো
শেষ শয্যায়

ভালোই করেছো, ভুলে গিয়ে ভালোই করেছো

ভুল করে করেছো ঠিক।
এ খেলা জীবন নিয়ে খেলছ কি মন নিয়ে
জবাব চাইব না ।
শুধু একটি প্রশ্ন লিখে রেখে যাই
জীবনই তার জবাব দিক।