Subscribe in a reader GAN KOBITA NATOK

Monday, 20 June 2016

চাঁদ CHAND

চাঁদ যখন জলে নামল
তখন গভীর পূর্ণিমা - রাত
ওই আলোতে তোমায়
প্রথম দেখেছিলাম।

তখনও ত জানিনা 
শেষ দেখা কতদিন হল
আর একবার,
শুধু একবার দেখব বলে

রাত সাজিয়ে বসে আছি
         আর
জলের অতলে 
 হারিয়ে গেছে চাঁদ

কতদিন, কত রাত ----
তা জানিনা।

Saturday, 18 June 2016

বোল bol

মনের মাথায়  ডাঙস , আর  মুখের  মাথায়  বাড়ি ...
থামলি কেন পথের মাঝে ? চল্ না তাড়াতাড়ি!

Sunday, 29 May 2016

এক আঁজলা জীবন EK ANJLA JIBON

তোমার হাত থেকে 
এক আঁজলা জীবন উপহার পেতে চাই 
তা সে উপলক্ষ্য যাই হোক। 
হয়তো আলসেতে বসে একজোড়া পায়রা
বা টিলার উপর এক একলা শালিক
জীবনের প্রথম মানে খুঁজে পেলো
মিলনে বা বিচ্ছেদে ----
হয়তো মিলনেও না , বিচ্ছেদেও না,
নদী বয়ে চলে
জীবনে -জীবন মেলাবার আশায় ---
হয়তো সেই জীবন উপহার  পেতে চাই
তোমার কৃপণ হাত থেকে।

জানি তুমি অলক্ষ্যে হাসো ----
সেইটুকু্ই পরম পাওয়া  

যে জীবন চেয়েছি বেদনাকে
চরম ভুলতে চেয়ে
নদী, কপোত, একলা শালিকের মতো
প্রেমে, অপ্রেমে ----


সে জীবন আমার কাছে 
যুগল বিষামৃত 
সে জীবন মরণকে বুকে ধরে 
প্রতিক্ষণে বয়ে চলেছে
জীবনশেষের মোহানায়
মিশবে বলে  -----

Thursday, 26 May 2016

সুখ-শান্তি SHUKH-SHANTI

শান্তি চেয়ে পেলাম সুখ,
ভাঙা আয়নায় আধেক মুখ

তোমায় চেয়ে শান্তি কই ?
আমি যে তোমার শত্রু হই !

জল থই -থই বর্ষা-দিন
তোমায় ছাড়া অর্থহীন!

ইলিশ-ভাতে ছুটির পাত
জ্বরের কপাল, নরম হাত।

সুখের শয্যা হোক মলিন,
  তোমায় ছাড়া অর্থহীন!

বাজার-দোকান, ব্যস্ত হাত,
বর্ষা- বিকেল, আলতো ছাঁট,

শিল কুড়িয়ে গামছা-গিঁট,
আম পাড়তে আধলা ইঁট----

স্বপ্ন দেখার রাত রঙ্গিন
  তোমায় ছাড়া অর্থহীন!

মন- খারাপের ভর-দুপুর,
ক্লান্ত পায়ের জল-নুপুর

ঘুমের মধ্যে স্বপ্ন -রাগ
ডালিম-ফুলের প্রেম-পরাগ।

ওষ্ঠে -অধ্র, মধুর মিল,
ভালোবাসায় সে ঝিলমিল ।

বুকের মধ্যে ঢেঁকির পাড়
সয়না তিলেক চোখের আড়

আজকে আমার জন্মদিন
  তোমায় ছাড়া অর্থহীন!

Friday, 20 May 2016

প্রতিবেশী PROTIBESHI

হয়ত আবার এইখানেতেই ডাক পড়বে তোমার
হয়ত পাশের বাড়িতে  নিজেরই  প্রতিবেশী হিসাবে। 
পাশের বাড়ির জানলা দিয়ে 
পড়োশিনির  কাণ্ড- কারখানা দেখে 
নিজেই হাসবে নিজের মনে। 

তার  উল্টো শাড়ি - পরা
ঘামে লেপটে - যাওয়া টিপ ----
ভাতের হাঁড়ির সুবাস
তার ঝগড়া, তার পিরীত
তার কলহ -শেষে 
বাপের-বাড়ি যাওয়া ----

তোমার যে কী হাসি পাবে
নিজেকে পাশের বাড়ির  
ভাঙ্গা আয়নায় দেখে------

এতকাল তো ওরাই হেসেছে
এবার হাসবে তুমি! 
যত ইচ্ছে, কেউ দেবে না বাধা  !!

চলে যাবার আগে
জানলাটা বন্ধ করে দিতে গিয়েও 
হয়ত আরেকবার ইচ্ছে হবে 
আজকের এই তুমি হয়ে 
ফিরে আসতে

হাসবে বলে নয়-----
 অঝোর ধারায় কাঁদবে বলে

অহর্নিশ ------

Wednesday, 18 May 2016

তোমার জন্য TOMAR JONNYO

আমি যদি তোমার জন্য পাগল হই 
তুমি কি হাসবে?
নাকি
লাল রুমাল নেড়ে চলে যাবে আমার সামনে দিয়ে? 

যদি একরাশ রজনীগন্ধার বন থেকে 
ভালোবাসা কুড়িয়ে এনে 
তোমার দরজায় এসে দাঁড়াই
তুমি কি ফিরিয়ে দেবে?


আসলে

এসব আমার জীবনে তেমন মানেই রাখেনা
এসব আমার জীবনের লক্ষ্যও না 
যেমন চেয়েছিলাম তোমার ঠোঁটের
ভুবনভোলানো সেই  হাসিটুকু

আজ ওইটুকু সম্বল করে ফিরে চলেছি
আমার ভাঙ্গা জীবনের অন্ধকুপে

বাকিটা  জীবন ওই ফুলের গন্ধ ----
ওই হাসি ----
চোখের তারায় তারায় ভরে
কাটিয়ে দিয়ে চলে যাবো
চির-নিরুদ্দেশের পথে-------  

তোমাদের জন্য TOMADER JONNYO


তোমাদের জন্য 

চেয়ে দেখো গোধূলির শেষ রঙ আকাশে 
ওই আলোতে  উদ্ভাসিত প্রেম 
তোমাদের জীবনে আনুক সংরাগ -----
বিচ্ছেদের প্রবল বেদনা যাক দূরে ----
আবার জ্যোৎস্নাধারা তোমাদের চোখে  এসে 
ধীরে  বাজাক জীবনের সঙ্গীত ------

মধুবন কুসুমিত হোক---------
অকারনে বৃষ্টি ডেকে  আনুক  শ্যামলী মেঘ-----
ফলভারে আনত হোক কিশোরী জামরুল গাছ ---

জীবনে-জীবন গড়ে  নদী  হোক  সুস্নাত----

আমি শুধু দূর থেকে দেখে যাই 
প্রকৃতির এই ভরা খেলাঘর ------