Subscribe in a reader GAN KOBITA NATOK

Tuesday, 12 July 2016

চলে যাওয়া CHOLE JAWA


 চলে যাওয়া

 চলে যাওয়ার পথটা কিন্তু সামনেই আছে
কিন্তু যাওয়ার উপায় নেই।
আমি ঘরের জানালা থেকে দেখি তাকে,
যে পাখি বাসা ফেলে রোজ আনন্দে উড়ে যায়
সে যদি আমায় দিয়ে যেত তার ডানাদুটি,
তাহলে পথের বাধা মানতাম না, 
শুনতাম না কারো চোখের জল,
শুধু উড়ে যেতাম ওড়ার আনন্দে।

আমি বেশ বুঝতে পারি আকাশের হাতছানি
তারাদের হাসি, হাওয়ার আঁচল-দোলা,
এই বন্দী-জীবন থেকে তারা আমায় মুক্তির আভাস দেয়

কিন্তু চলে যাওয়ার উপায়টা আজ পর্যন্ত 
কেউ আমাকে বলে দেয়নি।

Sunday, 10 July 2016

স্বপ্নের শব্দ SWAPNER SHOBDO

দুবাহু বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরেছে ঘুম
দুইচোখে এসে স্বপনেরা নিঃঝুম।
বলে 'এসো,এসো, হেথা অানন্দমেলা
না-পাওয়ার সাথে খেলো লুকোচুরি খেলা-----
শ্বেতপাথরের সাজানো অট্টালিকা,
চির-প্রদীপের চির-প্রেরণার শিখা।
যে মালা কখনো জীবনে পরোনি গলে 
সেই মণিহার ঐ যে বক্ষে দোলে।
আজিকে এ তুমি একটি রাতের রাজা
সার্থক হোক অনুপম বেশে সাজা।
আতর ছড়াও সুন্দরী সুস্মিতা,
লজ্জাবস্ত্রে আধোখানি আবৃতা-------
সোমরস ঢেলে পাত্রে এগিয়ে দাও,
আজ প্রাণভরে স্বপ্নানন্দ নাও
কে জানে কখন ঘুম ভেঙে যায় পাছে
কঠিন, কঠোর বাস্তব জেগে আছে।
কাচের স্বপ্ন চুরমার হলে শেষে
কঠিন ভূমিতে আছড়ে  পড়বে এসে।'

Saturday, 9 July 2016

স্নেহ SNEHO



 স্নেহ SNEHO

তোরা যে নদীতে আগে জল নিতে যেতিস,
তাতে আর জল বয় না।
পূবের বৈশালী মন্দিরে তাই জলের জন্য প্রার্থনা চলছে।


মুদ্গলী, শনিচরী, মেঘলতা, তোরা

ঘুরপথে আর মিছে জলের চেষ্টায় পা বাড়াস না।
পথে কত ফাঁদ পাতা আছে কে বলতে পারে?


কে জানে কবে আকাশে বাদলা জমবে

ধারার সুখ ভরিয়ে দেবে তোদের চুল, বুক,শাড়ী,
তোদের পায়ের ছন্দে নেচে উঠবে মাটি-মা ।


এখন তোরা তবে বরং ঘরেতেই মন দে

সংসারের মাটি-আঙন ভরিয়ে দে সুখে
শিশুদের দেহে বুলিয়ে দে তোদের বুকের যত স্নেহ।

ভাবনাচিন্তা BHABNACHINTA

রাজা ভোরে উঠে একপ্লেট ব্যাং-ভাজা খেয়ে ভাবতে বসলেন, 'ওরা রুটি খেতে পায়না তো কেক খায়না কেন'
এদিকে ছাইগাদার পাড়ে বসে মাসি রুপোর মাছ কাটে ঘ্যাঁচ-ঘ্যাঁচ ---'কেটোনা কেটোনা মাসি রাজা মোদের
ভাই' ....

ভাবতে ভাবতে উনুনের ভাত ধরে যায়

 শীত- বসন্ত রাজা হয়ে ভাই ভুলে যায় কে আনবে রাজকন্যার গজমোতি হাতির তো মাথা কাটা গেছে গিলোটিনে সে খুশির হাওয়ায় আবির মেখে নাচ ;'সাজ ত ভাল কন্যা যদি সোনার নূপুর পাই' কে যাবে কে যাবে নূপুর আনতে ঘরে আছে মোটা বেড়াল কোমর বেঁধেছে সে ত আবার ইঁদুর দেখলে সব ভুলে যায় তাকেই ত বেঁধে  আনা দরকার এতকিছু ভাবনাচিন্তা করে রাজা এঁটো হাতে বসে থাকেন ত বসেই থাকেন-------

Thursday, 7 July 2016

রাধা RADHA

 চিত্রার্পিতা ,  কে মেঘাবরণী  
বুঝি  শ্যামল-স্মরণে এ বেশ ?
এ মহা-প্রলয়ে  পার হবে তুমি 
ঝঞ্ঝার বাধা ? যাবে দয়িতের দেশ ?

সাহসিনী, তুমি একেলা এ কূলে 
পার হবে নিশি-যামে -----
প্রেম হোক তব পারের তরণী 
যেন ঝড়ে নাহি থামে। 

তোমার শ্যামল দুস্তর পারে,
   বাজে মোহনিয়া--বাঁশি
চোখে তার নীল যমুনার বারি
মুখে প্রেমময় হাসি ।

ওপারে তোমার দয়িতের বাঁশি 
তব নাম জপে প্রেমে, 
তুমি হয়ে ওঠো  শতেক রূপসী 
সেই প্রেম-জলে নেমে।

যাও যাও প্রেম , প্রেমিক-সকাশে
ভেঙ্গে প্রস্তর - বাধা ----
মরমী তোমার দূরে  নেই আর
ওগো শ্যাম- ময়ী রাধা!

নাম NAAM


নাম 

নীল বসনে  চিত্রার্পিতা
তুমি কি কৃষ্ণ প্রিয়া
তবে কেন কান্দ এমন
জগত আঁধার দিয়া?

কৃষ্ণময়ী, অঙ্গে তোমার
মেঘবরণ শাড়ী্‌,
অভিসারের অজানা পথ
নির্ভয়ে দাও পাড়ি।

তোমার মধুর ভালোবাসা
জাগাও আমার প্রাণে,
জীবন-সাগর পার হয়ে যাই
কৃষ্ণ -নামের গানে।




বাড়ি BAARI

বাড়ি BAARI

একটি স্বপ্নের বাড়ি ছিল,
আমি রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে
চেয়ে চেয়ে শুধু দেখতাম।
জানালার ওপারে কেউ বসে আছে
কারো অপেক্ষায়।
সে কি আমি? নাকি অন্য কেউ?
হয়তো আমারই মতন অন্য কেউ।
আহা, আমার জন্যে কেউ যদি
এমন প্রতীক্ষায় থাকত!
ভাবতে ভাবতে একদিন স্বপ্নের বাড়ি
স্বপ্ন ভেঙ্গে মিলিয়ে গেল।
প্রতীক্ষাও মিশে গেলো ভাঙ্গা বাড়ির ধুলোয়।